সুন্দরবনের গভির জঞ্জল থেকে মৌয়ালরা এটি সংগ্রহ করে। ইংরেজি এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে মধু সংগ্রহের পাশ দেয় বনবিভাগ। কিন্তু মৌয়ালদের মতে, ঋতুগত পরিবর্তন এবং ফুলের প্রস্ফুটনকাল এগিয়ে আসায় বর্তমানে এই পাশ আরো ৭-১০ দিন এগিয়ে আনা উচিৎ। কারণ সময়মত মধু সংগ্রহ না করতে পারলে চাকের ভেতর মধু খাবার হিসেবে জমা থাকে এবং মধু সংগ্রহের প্রয়োজন না থাকায় মৌমাছিরা অলস হয়ে পড়ে এবং চাকের মধ্যে বসে থাকে। সুন্দরবনের বিখ্যাত এই মধু অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে। এই মধুর স্বাদ বেশ বিখ্যাত।
খলিশা ফুলের মধুকে বলা হয় সুন্দরবনের আশীর্বাদ। সুন্দরবন ছাড়া সারাদেশে অন্য কোথাও খলিশা ফুলের মধু আহরণ করা যায় না। সাদা রঙের ফুল খলিসা ফুটতে শুরু করে বাংলা মাস ফাল্গুন থেকে। খলিশা ফুলের গাছকে বলা হয় ‘হানিপ্লান্ট’। খলিশা গাছ সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বেশি পাওয়া যায়।
প্রত্যেক গাছের মধ্যেই বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য থাকে। একারণে মধুর স্বাদের ভিন্নতা থাকে। খলিসা গাছের জেনেটিক বৈশিষ্ট্যও অন্য গাছ থেকে আলাদা। একারণে খলিসা গাছের মধু সুস্বাদু। খলিশা ফুলের মধুর গুণাগুণ ও উপকারিতা অন্য মধুর মতই শুধু পার্থক্য এর অতুলনীয় স্বাদ। এছাড়াও পেটের অসুখের জন্যে অত্যন্ত ভালো কাজ করে বিশেষ করে বাচ্চাদের পেটের অসুখের জন্যে। খুব তরল এবং অত্যন্ত সুস্বাদু আর দারুণ ঘ্রাণযুক্ত খলিশা ফুলের মধু । খলিশা ফুলের মধুকে অনেকে পদ্ম মধু বলে থাকে।
0 মন্তব্যসমূহ