মধুর গুনাগুণ
সব মধুর গুনাগুণ যেমন এক নয় তেমনি সব মধুর বৈশিষ্ট্যও এক নয়। একেক মধুর একেক বৈশিষ্ট্য। যেমন, সুন্দরবনের চাকের মধুর উপরের দিকে ফেনা বা গাদ জমতে দেখা যায়। সরিষা, ধনিয়া, লিচু, কালোজিরা ফুলের মধু জমে যায়। সুন্দরবনে মধুতে আদ্রর্তা কম থাকলে সুন্দরবনের চাকের মধুও জমে যেতে পারে। এগুলো মধুর বৈশিষ্ট্য। অনেক ভাই মনে করে মধু জমে গেলে মধু ভেজাল। এ ধারণা ঠিক নয়। বরং সরিষা, ধনিয়া, লিচু, কালোজিরা ফুলের মধু জমে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। আবার এই চার প্রকার মধুর মধ্যে সরিষা ফুলের মধু অনেক বেশি জমে যায় তারপর ধনিয়া তারপর লিচু তারপর কালোজিরা ফুলের মধু।
সুতরাং মধু জমে গেলে ভেজাল এ ধারণা ঠিক নয়। এখন কথা হলো, জমে যাওয়ার পর নরমাল করার পদ্ধতি কী? হ্যাঁ, তাহলে শুনুন, জমা মধুর বৈয়ামটা রোদে দিলে বা গরম করা পানিতে কিছুক্ষণ ধরে রাখলেই দেখবেন সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। তবে জমা মধু খাওয়ার অভ্যাস করাই ভালো। আমাদের দেশে জমা মধুর কদর না থাকলেও বিদেশীদের কাছে এর কদর অনেক বেশি। তাঁরা জমা মধুকে ক্রীমহানি বলে এবং জমা মধু অন্য মধু থেকে বেশি দাম দিয়ে কিনে খুব মজা করে খায়।
মধু প্লাস্টিকের বোয়ামে রাখার চেয়ে কাঁচের বৈয়ামে রাখা নিরাপদ। এতে মধুর গুনাগুণ দীর্ঘদিন অক্ষুন্ন থাকার সাথে সাথে মধুর রং ও গন্ধ ঠিক থাকে। আর প্লাস্টিকের বৈয়ামে রাখলে অবশ্যই ফুডগ্রেড বোয়ামে রাখতে হবে।
বিঃদ্রঃ আমরা পরিবহনের সুবিধার্থে প্লাস্টিকের বৈয়ামে মধু দিয়ে থাকি। বাসায় নিয়ে কাচের বৈয়ামে রেখে খাওয়ার দায়িত্ব আপনাদের।
0 মন্তব্যসমূহ